মৈত্রী এক্সপ্রেসে বিমানের সুবিধা!
এত দিন মাঝপথে নামতে হত। মালপত্র-সহ ট্রেন থেকে নেমে যেতে হত অভিবাসন ও শুল্ক সংক্রান্ত পরীক্ষার জন্য। ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেসের যাত্রীদের আর এই ভোগান্তি পোহাতে হবে না। বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক যাত্রীদের অভিবাসন ও শুল্ক সংক্রান্ত পরীক্ষার মতোই মৈত্রী এক্সপ্রেসের যাত্রীরা স্টেশন থেকেই সেই কাজ সারতে পারবেন। এর ফলে যাত্রার সময়ও কমবে দুই থেকে তিন ঘণ্টা।
মঙ্গলবার ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার এক খবরে বলা হয়েছে, সোমবার বাংলাদেশ রেলের এডিজি হবিবুর রহমান ও ভারতীয় রেলের কর্তারা জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরেই চালু হবে এই সেবা। এতে যাত্রার সময় ৯ ঘণ্টা থেকে ৬-৭ ঘণ্টায় নেমে আসবে।
খবরে বলা হয়েছে, দুই দেশের যাত্রীরাই সীমান্তে দুই তিন ঘণ্টা ধরে ওই ভোগান্তি বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিলেন দীর্ঘ দিন ধরে। অবশেষে দই’টি দেশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিমানে বিদেশযাত্রার মতোই মৈত্রী এক্সপ্রেসেও যাবতীয় পরীক্ষা হবে শুধু দুই প্রান্তে। মাঝে কোনও স্টেশনে নামা যাবে না।
২০০৮ সালে বাংলা নববর্ষের দিন চালু হয়েছিল কলকাতা-ঢাকা ট্রেন সার্ভিস। এখন সপ্তাহে চার দিন যাতায়াত করে মৈত্রী। ভারত সরকারের তরফে গেদেতে এবং বাংলাদেশ সরকারের তরফে দর্শনা স্টেশনে অভিবাসন দপ্তরের কর্মীরা যাত্রীদের পাসপোর্ট এবং ভিসা পরীক্ষা করেন। সেই মতো দুই দেশের রেল কর্মীদের হাতে যাত্রীদের নামের তালিকা তুলে দেন তারা। সেই তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে যাত্রীদের কলকাতা স্টেশনে নামার কথা।

You must be logged in to post a comment.