leadnewsশিক্ষা

মাধ্যমিকে ভর্তির ফল প্রকাশ: যেভাবে এসএমএসে-অনলাইনে জানা যাবে

দেশের ৫৪০টি সরকারি বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য টেলিটকের কারিগরি সহায়তায় ডিজিটাল লটারি ফল প্রকাশ করা হয়েছে। টেলিটক মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএস এর মাধ্যমে লটারির ফলাফল পাওয়া যাবে।

সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বেলা ২টায় লটারির মাধ্যমে সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষার্থী নির্বাচনী অনুষ্ঠান হয়। এতে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেল বাকি দুই হাজার ৮৫২টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ফল প্রকাশ করা হবে। বিকেল ৫টা থেকে ওয়েবসাইটে এবং এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তি সংক্রান্ত লটারির ফলাফল পাওয়া যাবে।

বিকেলে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করেন।

ডিজিটাল লটারির অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর নেহাল আহমেদ এবং টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম হাবিবুর রহমানসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও টেলিটকের বিভিন্ন কর্মকর্তারা

ফল জানা যাবে যেভাবে

ডিজিটাল পদ্ধতিতে দুটি মাধ্যমে ভর্তি সংক্রান্ত ফলাফল পাওয়া যাবে। এগুলো হলো- টেলিটক মোবাইল নাম্বার থেকে এসএমএস করে ফলাফল পাওয়া যাবে। GSA <space> RESULT <space> USER ID লিখে পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ নাম্বারে। উদাহরণ GSA RESULT DFSRESGSJD লিখে যেকোনো টেলিটক মোবাইল থেকে পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ নাম্বারে। এছাড়া https://gsa.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকেও ফলাফল জানা যাবে।

প্রসঙ্গত, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের চাহিদা মোতাবেক দেশব্যাপী সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে ১ম থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তির অনলাইন ভিত্তিক ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশের জন্য একটি ডায়নামিক সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট করা হয়। এর মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের ভর্তি নীতিমালা অনুসরণ করে স্বচ্ছ ও নির্ভূল প্রক্রিয়ায় ভর্তির জন্য ছাত্র-ছাত্রী নির্বাচন করা হয়েছে।

এ কার্যক্রমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা মোতাবেক ছাত্র-ছাত্রী নির্বাচন করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় সর্বমোট তিন হাজার ৩৯২টি প্রতিষ্ঠান সংযুক্ত হয়েছে। এরমধ্যে ৫৪০টি সরকারি ও দুই হাজার ৮৫২টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ প্রক্রিয়ায় এবার সাকুল্যে ১ লাখ ১২ হাজার ৬৪৪টি আবেদন গৃহীত হয়েছে।