Uncategorized

নির্বাচনে সেনা মোতায়েন চায় ইসলামী ফ্রন্ট

সেনা মোতায়েন, যথাসময়ে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, বিদ্যমান আইনি কাঠামো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনাসহ নির্বাচন কমিশনকে ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।

রবিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনে অনুষ্ঠিত সংলাপে অংশ নিয়ে এই প্রস্তাব দেয় দলটি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা সংলাপে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় চার নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব মাওলানা এম এ মতিনের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ইসির সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে এসব প্রস্তাব দেয়।

ইসলামী ফ্রন্টের দেয়া প্রস্তাবগুলো হলো, যথাসময়ে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা, নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য বিদ্যমান আইনি কাঠামোর সম্পূর্ণটাই বাংলায় করা, বিদ্যামান আইনি কাঠামো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনা, বিদেশে অবস্থানরত প্রাপ্তবয়স্ক সকল নাগরিককে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া, নারীদের প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নির্বাহী কমিটিতে নির্দিষ্ট সীমিত কোটায় না রেখে প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের অঙ্গ কিংবা সহযোগী সংগঠন গঠন করে স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার সুযোগ দেয়া, নির্বাচন অনুষ্ঠানকালে নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় সেনাবাহিনী নিয়োগ করা, বিদ্যমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন এনে প্রার্থীভিত্তিক নির্বাচনের পরিবর্তে সারা দেশে দল ও প্রতীক ভিত্তিক নির্বাচন করা। এক্ষেত্রে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতে নির্বাচন কমিশন প্রত্যেক দল থেকে সাংসদ নিয়োগ দিতে পারেন, সুষ্ঠ নির্বাচন করার লক্ষে সংসদয়ী এলাকার বিদ্যমান প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি পর্যবেক্ষক টিম গঠন, নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের অধীনে স্বরাষ্ট্র, সংস্থাপন এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে নির্বাচন কমিশনের অধীনে আনা, নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধায়নে প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের প্রকাশ্য নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বিষয়ে সম্মুখ বিতর্কের ব্যবস্থা করা।

এর আগে সকাল এগারোটায় সংলাপ শুরু হয়। শেষ হয় দুপুর সাড়ে ১২টায়। সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দলটির মহাসচিব এম এ মতিন। আজ বিকাল তিনটায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে সংলাপে বসার কথা নির্বাচন কমিশনের।

একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন সংস্কার, সীমানা পুনঃনির্ধারণসহ ঘোষিত রোডম্যাপ নিয়ে সংলাপের আয়োজন করে ইসি। গত ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে সংলাপ শুরু করে নির্বাচন কমিশন। পরে ১৬ ও ১৭ আগস্ট অর্ধশত গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে সংলাপ করে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ গ্রহণ করে ইসি। ধারাবাহিক সংলাপের অংশ হিসেবে ২৪ আগস্ট থেকে নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক শুরু করে ইসি। ঈদের আগে পাঁচটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপে করেছে ইসি।

Sam thomson comes to paper writers with https://pro-essay-writer.com/ knewton as a software engineer on our adaptive learning team