ডেমরায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
মো. মাহবুবুর রহমান ভূইয়া:ডেমরায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার দিনগত রাত পৌনে ১ টায় ডেমরা থানায় মূল অভিযুক্ত মো. সুজন শেখকে (৩৭) আসামি করে এ মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী। ধর্ষক সুজন শেখ কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানার গাংগাইচা গ্রামেরআবদুর রশিদ শেখের ছেলে ও ডেমরার আমুলিয়া লিয়াকত মাতবরের ফ্ল্যাট বাড়ীর ভাড়াটিয়া। এ ঘটনায় ধর্ষক সুজনকে ওই রাতেই গ্রেফতার বুধবার সকালে আদালতে পাঠায় ডেমরা থানা পুলিশ।
ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ডেমরার ষ্টাফ কোয়ার্টারে একটি মার্কেটে ৫ মাস ধরে রেস্তোরার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন ভুক্তভোগী ওই নারী। এ ব্যবসার সুবাদে পরিচয়ের এক পর্যায়ে সুজন শেখের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এদিকে গত ২ মার্চ স্বামী- স্ত্রী পরিচয়ে তারা আমুলিয়ার লিয়াকত মাতবরের দ্বিতীয় তলার একটি রুম ভাড়া ভাড়া নেয়। সুজনের মা মারা যাওয়ায় ১ মাস পরে ওই নারীকে বিয়ে করবে এমন প্রলোভন দেখিয়ে ওই রাতে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে সুজন। প্রায় প্রতি রাতেই ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী গত ১২ এপ্রিল রাতে কথা অনুযায়ী সুজনকে বিয়ের জন্য বলে। এ সময় সুজন তাকে এলোপাথারী মারধর শুরু করে এবং ঘরে থাকা ভুক্তভোগীর ব্যবসার নগদ এক লক্ষ টাকা ও লক্ষাধিক টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার নিয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। আর এ বিষয়ে কোন প্রকার মামলা করলে ধর্ষিতাকে মৃত্যুর হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায় ধর্ষক। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ডাক চিৎকারে বাড়ীওয়ালাসহ আশপাশের লোকজন আসার আগেই লম্পট সুজন পালিয়ে যায়। এদিকে আহত অবস্থায় ধর্ষিতা ১২ থেকে ১৬ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রায় ৫ দিন চিকিৎসা গ্রহন করেন। এ ঘটনায় ধর্ষিতা লম্পট সুজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনসহ প্রতারণামূলক বিয়ের প্রলোভনে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ, মারধর, চুরি ও মৃত্যুর হুমকি প্রদর্শনের অপরাধে ধারাসহ মামলা করেন।

You must be logged in to post a comment.