কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে কক্সবাজার।
কক্সবাজার থেকে ঘুড়ে এসে নূর আলমভূইয়া:
উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কউক) সম্প্রতি ঢাকা-ডেমরা প্রেসক্লাব ও রপগঞ্জ প্রেসকøাবের ভিবিন্ন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্টমিডিয়া রপ্রায় ৮৫জন সাংবাদিকের একটি গ্রুপ কক্সবাজার বেড়াতে এসে এখানকার উন্নয়নের খুটিনাটি যানতে গিয়ে কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কউক)এর উন্নয়নের বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিতে আসে। খোজ খবর নিয়ে যানাগেছে,
কক্সবাজার পর্যটন শহরকে একটি বিশ্বমানের পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার সপ্ন দেখছেন কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কউক) এর চেয়ারম্যান লেঃকর্নেল (অবঃ) ফোরকান আহম্মেদ,এলডিএমসি,পিএসসি।
কক্সবাজার ও উহার সন্নিকট এলাকা সমন্বয়ে একটি অত্যাধুনিক ও আর্কষনীয় পর্যটননগরী প্রতিষ্ঠাকল্পে ২০১৬ সালের ০৭ নং আইনে কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কউক) প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘতমসমুদ্র সৈকত কক্সবাজার পর্যটন নগরীকে আধুনিকায়ন ও আকর্ষনীয় একটি পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে ২০১৭ সালের ১৭ আগষ্ট লেঃকর্নেল (অবঃ) ফোরকান আহম্মেদ,এলডিএমসি,পিএসসি কে কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কউক) এর চেয়ারম্যান নিযুক্ত করে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। বর্তমানেসরকার কতৃক চুক্তিভিত্তিক ০১ জন চেয়াম্যান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীহতে সংযুক্ত ০১ জনসদস্য (প্রকৌশলী), জনপ্রশাসনমন্ত্রনালয় হতে ০১ জনসচিব (উপ-সচিব), নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর হতে ০১ জন উপ নগরপরিকল্পনাবিদ,গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে ০১ জন অথারাইজ্ড অফিসার এবং রাজউক হতে ০১ জন ইমারত ণির্মান পরিদর্শক এছাড়া ভিবিন্ন ক্যাটা গড়িতে আরো ০৯ জনসহ মোট ১৫ জনকর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কউক)।
সরেজমিনে দেখা গেছে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যায়ে কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কউক) এর নিজেস্ব ভবনের কাজ প্রায় চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। কক্সবাজার এয়ারপোর্ট কে আন্তরজাতিক এয়ারপোর্ট এ উন্নিতি করার কাজ চলমান রয়েছে, ঢাকা কক্সবাজার হাইওয়ে সড়কের প্রসস্ত করনের কাজ চলমান রয়েছে, এসব মেগাপ্রকল্প গুলো ছাড়াও সৌন্দর্যবর্ধনের লক্ষে শহরের ভিবিন্ন গুরুত্বপূর্ন ৪টি স্থানে ভাষকর্য ণির্মান, কক্সবাজারএ লাকার পর্যটন এড়িয়াসহ শহরের ভিবিন্ন স্থানে সড়ক বাতি স্থাপন, কক্সবাজার হতে টেকনাফ পর্যন্ত মেরিনড্রাইফ সড়কের হিমছড়ি পর্যন্ত এলইডিলাইট স্থাপনের মাধ্যমে অলোকায়ন, পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের লালকাকড়া,কচ্ছপ,ডলফিন,সাগরলতা, সহ ভিবিন্ন জীববৈচিত্র সংরক্ষন, পাটুয়ার টেক হতে টেকনাফ,সুগন্ধাবীচ হতে কলাতলীবিচ,এবংভিবিন্ন এলাকায় ভিবিন্ন জাতের প্রায় ১লক্ষ বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে এলাকার সবুজায়ন করা,কক্সবাজার এলাকার ঐতিহ্যবাহী লালদিঘী,গোলদিঘী, ও বাজারঘাট এলাকার পরিত্যাক্ত পুকুর গুলোকে পূর্নবাসন করে ভৌত সুযোগ সুবিধা ও দৃষ্টিনন্দন করে বাংলাদেশের প্রথম ফোয়ারা (ওয়াটারডান্স) নির্মান করা সহ পর্যটকদের আর্কশন করে এমন ধরনের বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পচলমান মান রয়েছে কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কউক) এর। সমস্ত প্রকল্পগুলা বাস্তবায় হলে বিশ্বের দীর্ঘতমসমুদ্র সৈকত পরিপূর্ন একটি পর্যটন নগরীতে পরির্তন হবে বলে মত প্রকাশ করছেন সংস্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে নব গঠিত কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কউক) এরসচিব (উপ-সচিব) আবু জাফররা সেদ বলেন, কক্সবাজার কে একটি আধুনিক ও পর্যটক বান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকারের নানা প্রকল্পগুলোকে বাস্তবায়ন করে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ কে প্রদর্শন করাই হবে আমাদের কাজ। সমস্ত সুযোগসুবিধা প্রদান করে বিদেশী পর্যটকদের জন্য আলাদা জোন তৈরি করে দেয়া যায় কিনা সে বিষয়টি ও কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কউক) এর মাষ্টার প্লানের মধ্যে রয়েছে।
চেয়ারম্যান লেঃকর্নেল (অবঃ) ফোরকান আহম্মেদ,এলডিএমসি,পিএসসিবলেন,আমার পরিচালনাধীন সংস্থাটি সম্পুর্ন র্দুনীতি মুক্ত একটি সংস্থা। কক্সবাজার কে একটি পরিপূর্ন পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলে এখান থেকে সরকারের আয় হবে এমন সব প্রকল্প মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খুব দ্রুতই এসব প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে।
মাত্র ৩ জন লোক বল নিয়ে জরাজীর্ন বিএমএ ভবণের একটি জায়গা থেকে অফিস পরিচালনা শুরু করি তারপর থেকে অল্প সময়ের মধোই আমরা যানযট নিরসনের লক্ষে ২৫৫২ কোটি টাকা ব্যায়ে হলিডে মোড়-বাজার ঘাটালারপাড়া (বাসষ্ট্যান্ড) প্রধান সড়ক সংস্কার ও প্রসস্থ করনের কাজ এবং কক্সবাজার জেলা শহরে প্রান কেন্দ্রে প্রায় ১৬ কোটি টাকা ব্যায়ে আবাসিক ফ্লাট নির্মান কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতেক্ষ সহযোগিতায় আমার অভূতপূর্ব উন্নয়নের মাধ্যমে কক্সবাজার কে পৃথিবিীর সবচেয়ে আকর্ষনীয় পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার সপ্নপূরণে সহায়ক ভূমিকা পালনকরে যাচ্ছি।

You must be logged in to post a comment.