leadnewsডেমরারাজধানী

এক্সপ্রেসওয়ে হচ্ছে ডেমরা-রামপুরা সড়ক

মো.নূর আলম ভূইয়া :রাজধানী ঢাকা শহরের যানঝট নিরসনের লক্ষে ঢাকার মধ্যেই ৪ লেন এক্সপ্রেস ওয়ে নির্মান করবে সড়ক ও জনপথ (সওজ)।রাজধানীর হাতিরঝীল থেকে রামপুরা,বনশ্রী,আমুলিয়া ও ডেমরা হয়ে চট্রগ্রাম রোড পর্যন্ত এ সড়ক নির্মান করা হবে। এর ফলে হাতিরঝীল থেকে ডেমরা পৌছতে সময় লাগবে মাত্র ১০ মিনিট। সুত্রে যানাগেছে,নগরীর ভেতরে ৪ লেনের এ মহাসড়ক শহরের যানঝট নিরশনে একটি বিশাল ভূমিকা পালন করবে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২১ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ২০২৫ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে মত প্রকাশ করেছেন সংষিøষ্টরা।

এরই প্রয়োজনে বর্তমানে রামপুরা-ডেমরা সড়কের উভয় পার্শ্বে অবৈধ দখল মুক্ত করনের কাজ চলছে। প্রতিদিনই উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সড়ক ও জনপথ। এছাড়া সড়করে কাজ দ্রুত দৃশ্যমান করার লক্ষেসার্পর্োট প্রকল্পের আওতায় সড়কের উভয় পার্শে ভূমি অধি গ্রহনের কাজও পুরোদমে চালু রয়েছে।

এ প্রকল্পে ব্যায় হবে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা। এটি হবে ৪ লেন বিশিষ্ট পরিকল্পিত একটি ৪ লেন এক্রপ্রেস ওয়ে। হাতিরঝীল,রামপুরা-ব্রীজ,বনশ্রী,ডেমরা হয়ে নারায়নগঞ্জের শিমরাইল পর্যন্ত মোট ১৩.৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এ সড়কটিতে সাড়ে নয় কিলোমিটার সড়ক হবে উড়াল সড়ক আর ৪ কিলো মিটার থাকবে সমতল সড়ক পথ।৪ টি পয়েন্টে গাড়ী প্রবেশ করতে পারবে এ মহাসড়কটিতে। সওজ সুত্রে যানা গেছে,হাতিরঝীল সংলগ্ন রামপুরা ব্রীজ থেকে শুরু হয়ে বনশ্রী মেরাদিয়-আমুলিয়া-ডেমরা হয়ে নারায়নগঞ্জের কাচঁপুর চিটাগাং রোড এর সাথে সংযুক্ত হবে এ সড়কটি ।

এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ঢাকার দক্ষিন অংশ ও দক্ষিন-পূর্ব জেলাগুরোর দূড়পাল্লার যানবাহন বেড় হওয়ার সুন্দর একটি কড়িডোর তৈরি হবে। এ সড়কে প্রতিদিন প্রায় ১১ হাজারের অধিক সংখ্যক গাড়ী চলাচল করতে পারবে।সড়কটি বন্দর নগরী চট্রগ্রাম,সিলেট,নারায়নগঞ্জ,মুন্সিগঞ্জ সহ দেশের পূর্ব-দক্ষিন এলাকার সকল জেলার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবে।প্রস্তাবিত এ সড়কটি রাজধানীর গুলশান,বাড্ডা,ফার্মগেট,তেজগাঁও,বনানী,রামপুরা,ও উত্তরার যানবাহনকে ও আকৃষ্ট করবে।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী কাজী শাহরিয়ার হোসেন বলেন,রামপূরা ব্রীজ থেকেএলিভেটেড হয়ে বনশ্রী-ডেমরা-শিমরাইল পর্যন্ত হবে উড়াল সড়ক। রামপুরা থেকে মেরাদিয়া বাজার পর্যন্ত সড়কের পাশে যে লেক রয়েছে সেই লেকের সৌন্দর্য বজায় রেখে লেকের পার ধরেই এ মহা সড়কটি নির্মাণ করা হবে। সড়কটিতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান প্রায় চুড়ান্ত। আগামী মাসেই প্রস্তাবটি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে উত্থাপন করা এবং মন্ত্রিসভা (সিসিএ) কমিটিতে পাঠানো হবে। ২০২৫ সালের মধ্যেই এ সড়কের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে।