বিশ্ব শিক্ষক দিবসে মাদ্রাসাসহ সকল শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন ( বিএমজিটিএ) চট্রগ্রাম জেলার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
ফিরোজ আলম:বিশ্ব শিক্ষক দিবসে মাদ্রাসা সহ সকল শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন(বিএমজিটিএ) চট্রগ্রাম জেলা শাখা।
আজ ৯ই অক্টোবর রোজ শনিবার বিকাল তিন ঘটিকার সময় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন চট্রগ্রাম জেলা শাখার আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয় । বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন চট্রগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব জামাল উদ্দীনের উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএমজিটিএ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ সভাপতি মোহাম্মদ আলী এবং প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএমজিটিএ কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির মেম্বার এবং কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আলম।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএমজিটিএ কেন্দ্রীয় কমিটির গনশিক্ষা বিষায়ক সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম,সহ আইন বিষায়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ।এসময় আরো বক্তব্য রাখেন নাজিম উদ্দিন,মোহাম্মদ শাহজাহান,এস এম শাহ আলম,তাজুল ইসলাম চৌধুরী,খাইমন নেছা বিনতে জামাল,ইলিয়াছ চৌধুরী,শফিউল আলম,সাইফুদ্দিন চৌধুরী,এম কামাল হোসেন সহ চট্রগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন পদ মর্যাদার নেতৃবৃন্দ।আলোচনা সভার শেষে বিএমজিটএ চট্রগ্রাম জেলা শাখা কর্তৃক ৪ জন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের (জেনারেল শিক্ষক থেকে এস এম শাহ আলম, তাজুল ইসলাম চোধুরী ,এম কামাল হোসেন,সাইফুদ্দিন চোধুরী ) হাতে সন্মান স্মারক তুলে দেন কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও কেন্দ্রীয় সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আলম ।
চট্রগ্রাম জেলার বিশ্ব শিক্ষক দিবসের আজকের আলোচনা সভায় বক্তারা মাদ্রাসাসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করন,সন্মানজনক বাড়ি ভাড়া,বদলি প্রথা প্রচলন,মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো,মাদ্রাসা ছাত্রদের মাদ্রাসার প্রশাসনিক পদে পদায়নের ব্যবস্থা, মাদ্রাসার প্রশাসনিক পদে জেনারেলদের আবেদনের সুযোগ রাখা,জৈষ্ঠ্য প্রভাষক বাতিল করে সহকারী অধ্যাপক চালু করা,অনুপাত প্রথা বাতিল করা,শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদান করা,মাদ্রাসার এবতেদায়ী কে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমান সুবিধা প্রদানকরা,মাদ্রাসার এরাবিক,নন-এরাবিক শিক্ষকদের সমান অধিকার প্রদান করা,শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা,অর্থনৈতিক মুক্তির পথ তৈরি করা এবং বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা দর্শন বাস্তবায়ন সহ সরকারের নিকট নানা দাবি উপস্থাপন করেন। সারা বিশ্বের সকল শিক্ষককে শুভেচ্ছা জানিয়ে দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

You must be logged in to post a comment.