প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করলেন মাদ্রাসা শিক্ষক নেতারা
বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশনের নেতারা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। দেশের সর্বোচ্চ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী অর্জনের পর শিক্ষাকতা পেশাকে বেছে নিয়েছি। এই পেশায় আসার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশ ও জাতিকে সার্বিকভাবে সৎ-আদর্শবান মানুষ গড়ে তোলা। আমরা এ থেকে বিচ্যুত হইনি। তবে শুধুমাত্র মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করার কারণে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেন জাতীয়করণ করা হচ্ছে না ? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আমাদের অভিভাবক। আপনার কাছে আমাদের একটিই চাওয়া মাদ্রাসাসহ সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করুন। ইতিমধ্যে আপনি (মাননীয় প্রধানমন্ত্রী) কওমী শিক্ষার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি নীতিমালায় এনে স্বাধীনতার পক্ষের পরিচালিত করার ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা আপনার কাছে দাবি জানাচ্ছি- মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয়করণ করার মাধ্যমে আমাদের আরো উৎসাহ দেবেন।
১০ মে ২০১৭ইং রোজ বুধবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে মাদরাসাসহ সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে এক মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. হারুন-অর-রশিদ এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মো. রিয়াজুল করিম, মো. মিজানুর রহমান, নাজমুল হোসেন, কে.এম সালাহ্ উদ্দিন, মো. আক্তার হোসেন, মো. আমির উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ফজলুল বারী বেলাল, যুগ্ম মহাসচিব হোসনী মোবারক, আব্দুল আহাদ সিদ্দিকী, সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নাবিল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হানিফ উদ্দিন খান, শান্ত ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, কার্যকরী সদস্য সফিউল আজম, রফিকুল ইসলাম, মো. খোরশেদ কবির, রুহুল আমিন, আবুল কালাম, প্রমুখ।
সংগঠনের মহাসচিব মো. জহির উদ্দিন হাওলাদার বেসরকারি শিক্ষা ব্যাবস্থা জাতীয়করণসহ ৮দফা দাবি উপস্থাপন করেন। দাবীসমূহ:- জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এর আলোকে জারিকৃত ২০১২ সালের পরিপত্র বহাল রাখা এবং ২০১৩ সালের জারিকৃত সংশোধিত পরিপত্র বাতিল করে মাদ্রাসার প্রশাসনিক পদে জেনারেল (নন্অ্যারাবিক) শিক্ষক নিয়োগের বিধান চালু করা, সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নোতির ক্ষেত্রে ৫:২ অনুপাত প্রথা বাতিল করা, বদলীকরণ, ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট, বৈশাখী ভাতা, পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা ও সম্মানজনক বাড়ি ভাড়া প্রদানসহ প্রতিটি আলিম/ফাজিল (পাস)/মাদ্রাসায় বিজ্ঞান ভবন নির্মাণ করা; আলিম/ফাজিল পর্যায়ে প্রতিটি অনুমোদিত বিষয়ে দ্বিতীয় শিক্ষক নিয়োগ করা এবং শিক্ষাসংক্রান্ত নীতি নির্ধারণী সভায় বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন এর প্রতিনিধি রাখা, জনবল কাঠামোয় গ্রন্থাগারিক, প্রদর্শক ও ল্যাব-পিয়ন পদ অন্তর্ভুক্ত করা, এমফিল/পিএইচডি ডিগ্রিধারী প্রভাষককে চাকুরীকাল ৪ (চার) বছর পূর্তিতে সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতিসহ উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ/স্নাতক (পাস) কলেজের মতো আলিম/ফাজিল (পাস) মাদ্রাসায় তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সংখ্যা বৃদ্ধি করার কথা বলেন।
In any of these situations, there’s no reason to https://justbuyessay.com/ panic

You must be logged in to post a comment.