জামাতে নামাজ পড়ার গুরুত্ব
|
সালাত বা নামাজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। নামাজকে উপেক্ষা করে অন্য চারটি স্তম্ভ এবং ইসলামের অবশ্য পালনীয় আদেশ নিষেধ, আরকান-আহকাম পালন বৈধ নয়।একজন মুসলিমের জীবনে নামাজ কায়েম না হলে অন্য ইবাদত-বন্দেগী অসার।নামাজের গুরুত্ব ও পদ্ধতি সম্পর্কে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সাল্লামের হাদিস নিম্নরূপ-
আবু হোরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আছরের নামাজের এক রাকাতের সময় পায়, সে পূর্ণ নামাজ আদায় করে এবং যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজর নামাজের এক রাকাতের সময় পায়, সে পূর্ণ ফজরের নামাজ আদায় করবে। -বোখারী শরীফ আবু হোরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, একামত শুনিয়া ছোটাছুটি করিয়া আসিবে না; শান্তি, শৃঙ্খলা ও গাম্ভীর্যের সঙ্গে নামাজে আসিবে। ( ইমামের সঙ্গে নামাজ ) যতটুকু পাবে পড়বে। আর যা ছুটিয়া গেছে তা পরে পূরণ করবে। ( অবশ্য একামতের পূর্বেই জামাত স্থলে উপস্থিত থাকা চাই।) -বোখারী শরীফ আবু হোরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শপথ করে বলেন, আমার এরূপ ইচ্ছা হয় যে, আযানের পর কাউকে ইমাম বানিয়ে নামাজ আরম্ভ করার আদেশ দেই এবং আমি ঐ সমস্ত লোকদের বাড়ি খুঁজে বের করি যারা নামাজের জামাতে শরিক হয়নি এবং কারও দ্বারা জ্বালানি কাঠ আনিয়ে ঐ ব্যক্তিদের ঘরে থাকা অবস্থায় তাদের বাড়ি-ঘরে আগুন লাগিয়ে দেই। হযরত রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, খোদার কসম বহু লোক এমনও আছে যে, সামান্য কিছু শিরনি পাওয়ার আশায় রাত্রিকালে এশার সময়ও মস্জিদে আসতে কুণ্ঠিত হয় না। কিন্তু জামাতের প্রতি ততটুকু আকৃষ্ট হয় না। -বোখারী শরীফ |

You must be logged in to post a comment.