leadnewsরাজনীতি

চিরনিদ্রায় ওবায়দুল কাদেরের মা

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মা বেগম ফজিলাতুন্নেসার জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় বসুরহাট সরকারি মুজিব কলেজ মাঠে জানাজা শেষে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার বড়রাজাপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে স্বামীর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

জানাজায় অংশ নেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, মহিতুল হাসান চৌধুরী নোপেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, কেন্দ্রীয় নেতা আলাউদ্দিন চৌধুরী নাসিম, গোলাম রাব্বানী পিনু, আনোয়ার হোসেন, ইকবাল হোসেন অপু, কেন্দ্রীয় উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল আনম সেলিম, নোয়াখালী-১ আসনের সাংসদ এ এইচ এম ইব্রাহিম, নোয়াখালী-২ এর সাংসদ মোরশেদ আলম, ফেনী জেলা আ’লীগের সভাপতি আব্দুর রহমান বি.কম, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী, ফেনী মেয়র আলাউদ্দিন, লক্ষ্মীপুর মেয়র আবু তাহের, বসুরহাট পৌর মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল, নোয়াখালী পৌর মেয়র শহিদ উল্যা খান সোহেল, কবিরহাট পৌর মেয়র জহিরুল হক রায়হান, দাগনভূঞা উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল করিম রতন, সেনবাগ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মা চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। মঙ্গলবার সকালে তার মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আনা হয়।

এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টায় গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে স্ট্রোক করেন তিনি। ওইদিন বিকালে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঢাকাটাইম