মতামত

কবিতা:মহাকালের মহাবীর

“(মহাকালের মহাবীর)”
— মেহেদী নাসির ভুঁইয়া শুভ

আমি কে? আমি সাক্ষাৎ মৃত্যু
দেবতারে করি চোখ রাংগানিয়া
পৃথিবীর চিরশত্রু

আমি সেনানায়ক, দারুন স্বাধীনচেতা
আমি মহাবীর হারকিউলিসের
পৌরানিক রূপকথা

আমি সাহসী,দুঃসাহসী মহানায়ক
পদতলে মোর কম্পিত আজ
হীন পৃথ্বী গোলক

কম্পিত এই বিশ্বগোলকে
লুন্ঠিত সব কথা
অপমানিতের বদলা নিতে
দাড়ায়াছি আমি একা

আমি মহাপ্রাণ, ভয়াল সূর্যগ্রাস
মহাজাগতিক মহামানব; আমি
জাহান্নামের নিশ্বাস

চির স্বাধীন আমি; সেচ্ছাচারী মহাবীর
কবির হাতের কলম; আমি
রঙ ক্যানভাসের ছবির

আমি প্রলয়কারী ভিসুভিয়াসের
সর্বগ্রাসী দাবানল
জাহান্নামের দূত আমি
শুনি মৃত্যূর কোলাহল

আমি উন্মাদ, পাগল আমি
একগুঁয়েমিরর চুরান্ত
স্বীয় চিৎকারে দুনিয়া কাপাই
সর্বনাশার সর্বশান্ত

শুনে কালবোশেখির আহ্বান
করি উন্মাদ নৃত্য
অহংকারীর পতন আমি
কিংবদন্তী চিরসত্য
আমি ভাস্বর, অবিনশ্বর
আমি আগ্নেয়গিরির গহ্বর
আমি শ্যামলিমা, হারি প্রিয়তমা
আজ বহিয়াছি রক্ত নহর

আমি রাম, আমিই রাবন
আমি মায়াময় কবিহৃদয়
আমি সর্বগ্রাসী প্লাবন
আমি বন্দিনীর মৃত্যুভয়

আমি ফেরাউন, রূপকথার সেই
ভয়াল সেচ্ছাচারী
আমি কাঙাল, আমিই রাজা
মহাপুরুষ রাশভারী

আমি বীনার তালের ছন্দ
তার রাগ বেরাগের সুর
আমি যে শুভ, কোমলময়ী
সপ্নচারী কোহিনুর।

আমি প্রিয়ার চোখের অশ্রু
তার রেশমি চুলের ঘ্রান
চিরবিদায়ের দিনে আমি
তার ভীতু চোখের প্রান।

আমি ঝড়ের রাতের পুরুষ
তার কাতর দিনের শ্বাস
আমি দুষ্ট, আমিই ভদ্র
তার ভালোবাসার বিশ্বাস

তুমিময় আজ আমি
প্রেমচেতনায় বহমান
আমি কে? চিনে নিও প্রিয়