Uncategorized

একটু বৃষ্টির জন্য হা-হা-কার

মো.হারুন-অর-রশিদ : একটু বৃষ্টির জন্য সারা বাংলাই যেন হা-হা-কার করছে। বৈশাখ পেড়িয়ে জৈষ্ঠ্য মাঝামাঝি সময় পার হলেও বৃষ্টি না হওয়ায় প্রচন্ড গরমে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন। টানা ভ্যাপসা গরম আর অনাবৃষ্টির কারণে মানুষসহ সকল প্রাণীর প্রাণ প্রায় ওষ্ঠাগত। গরম বাতাস শরীরে লাগছে আগুনের হলকার মতো। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই! শিশুরা ছাড়াও গরমে সবচেয়ে বেশি কাবু হয়ে পড়ছেন বৃদ্ধরা। নেতিয়ে পড়ছে গাছ-গুল্ম-লতা। বিপর্যস্ত প্রাণিকুল ।
বৈশাখ শেষ হয়ে জৈষ্ঠ্যর আজ ১০ দিন পার হলেও এখনো পর্যন্ত বৃষ্টির তেমন দেখা মেলেনি। আবহাওয়া অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, আগামী তিন-চার দিনেও বৃষ্টির দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা কম। এমনকি তাপমাত্রা আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাই বেশি। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। বৃষ্টি হলেই গরম কমে যাবে। চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি বা দুটি লঘুচাপের কারণে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। গত বছর এই সময়ে বৃষ্টি হলেও এ বছর না হওয়ার কারণ হিসাবে অনেকই সৃষ্টকর্তার গজব বলে অভিহিত করেছেন। বৈশাখ-জৈষ্ঠ্যর তীব্র গরম আর অসহনীয় তাপমাত্রার কারণে দিনের বেলায় শহরে লোকজনের চলাচল অন্য সময়ের চেয়ে অনেকটাই কম।কর্মজীবী মানুষ বাইরে বের হলেই অতিরিক্ত ঘামে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। ক্লান্তি দূর করতে কেউ পান করছেন ডাবের পানি, কেউবা খাচ্ছেন শসা, ক্ষীরা।তাই প্রচন্ড গরমে তরমুজ, আনারস, ঠান্ডা পানীয় আর ডাবের পানি বিক্রি বেড়ে গেছে বহুগুন। লাচ্ছি জুস আর কোমল পানীয়ের ব্যবসাও বেশ জমজমাট। শহরের মোড়ে মোড়ে, ফুটপাতে খোলা জায়গায় ঠান্ডা পানির লেবুর শরবত, তরমুজ বিক্রি করছেন নিম্নবিত্ত মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। পিপাসায় কাতর মানুষ রাস্তার ধারের এসব খাবার খেয়ে আবার অসুস্থও হয়ে পড়ছেন কেউ কেউ। গরমে এর সাথে যোগ হয়েছে ডায়রিয়া। হাসপাতালে প্রতিদিন বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।এদিকে অতিরিক্ত গরমের কারণে সর্দি-কাশি, জ্বর, ডায়রিয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। ঢাকা মেডি-কেয়ার জেনারেল হাসপাতালের ডাঃ মোঃমিজানুর রহমান খান বলেন, প্রচন্ড এই গরমে সবাইকে প্রচুর পানি ও খাওয়ার স্যালাইন খাওয়া উচিৎ। তিনি আরও বলেন, ‘সুস্থ থাকতে হলে রাস্তার ধারে ফুটপাতে খোলা জায়গায় বিক্রি করা তরমুজ, শসা, আখের রস, আনারস, লেবুব শরবতসহ সব ধরনের খোলা পানীয় পান থেকে বিরত থাকতে হবে। গরমে বাইরের খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়।’

If this happens to online assignment help you there may still be a chance that you get accepted after all- just make sure you know what the circumstances are