Uncategorized

কিশোরগঞ্জ-২আসেনর আ’লীগের প্রার্থী হতে চায় ড. জায়েদ

স্টাফ রিপোর্টার: ছোট বেলায় কলেজের নাস্তার টাকা বাচিয়ে ফুটপাতের ছিন্নমূল অসহায় মানুষদের কখনো খাবার কিনে দিতেন আবার কখনো পোশাক। আবার বন্যা-ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন কলেজ পড়–য়া বন্ধুদের নিয়ে। ছুটে গেছেন নিজ গ্রাম কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া এবং বাজিতপুরে। সেই ছেলেটি দিনে দিনে বড় হয়েছে ঠিকই, কিন্তু মানুষের সেবা করার নীতি এখনো রয়ে গেছে। কথা বলছি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের (বন্ধু) কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত মরহুম কমান্ডার মোহাম্মদ বজলুর রহমান এর ছেলে ড. জায়েদ মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ্ সর্ম্পকে। তিনি সরকারি দল আওয়ামী লীগের একজন কর্মী। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দীয়) আসন থেকে। এলাকার সকল পেশা-শ্রেনির মানুষও তাকে এমপি হিসেবে দেখতে চায়।
এলাকার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বলছেন, ড. জায়েদ মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ্ একজন উচ্চ শিক্ষিত ও মেধাবী ছেলে। তাকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দিলে বিজয় নিশ্চত। তাছাড়া উনার বাবা এই আসনে আওয়ামী লীগের দুরদিনের নেতা ছিলেন। তারা আরো বলছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে ২০১৯ সালের নির্বাচনে তরুন-শিক্ষিত ও মেধাবীদের বিকল্প নেই। তাই তাদের সুযোগ করে দিলে দেশও জাতির কল্যান হবে।
এদিকে সোমবার বিকেলে আসাদগেইটস্থ নিজ কার্যালয়ে ছিন্নমূল-অসহায়দের মাঝে খাবার ও পোশাক বিতরনকালে কথা হয় ড. জায়েদ মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ্ সাথে। তিনি বলেন, এলাকার বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপশি, অসুস্থ্য মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা, বাস্তুহারা মানুষের ঘর-বাড়ি করে দেয়া, ঈদ ও পুজা উৎসব অসহায়দের সহযোগীতা, দুর্যোগে ত্রান ও বস্ত্র সহায়তা, চরাঞ্চলে বিশুদ্ধ খাবার পানি নিশ্চিতে টিউবয়েল বিতরনসহ নানা রকম সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছেন।
ড. জায়েদ মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ্’র বাবা মরহুম কমান্ডার মোহাম্মদ বজলুর রহমান নিজ জেলার আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা ছিলেন। এছাড়াও কিশোরগঞ্জ জেলার ৩নাম্বার সেক্টরের যুদ্ধকালিন অধিনায়ক ছিলেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন ঘাতক দালাল নিমূল কমিটি। বাবার পথ ধরে একইপথে হেটে চলেছেন ড. জায়েদ মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ্। তিনি নিজ জেলা কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সামাজের দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের চিকিৎসা-লেখাপড়ার ব্যবস্থা করেছেন। প্রতিমাসে স্কুল-কলেজ পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহ যোগাতে খেলাধুলার আয়োজন করেছেন। সমানতালে রাজধানীর শ্যামলী-আসাদগেইট এবং মোহাম্মদপুর এলাকার অসহায়-ছিন্নমূল মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করেছেন।
ড. জায়েদ মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ্ বলেন, এইসব অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে চাই। হয়তো পুরোটা পরিস্থিতি বদলে দেয়া সম্ভব হবে না তবু একটু হলে ক্ষতি কি? গরীব বৃদ্ধ ও শিশুদের কষ্ট অনুভব করে তিনি অসহায়দের সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রতি মাসেই উন্নয়ত খাবার এবং অল্পপোশাক দিচ্ছেন দীর্ঘদিন যাবত। যার যেটুকু সামর্থ্য তা দিয়ে যদি আমরা সাহায্য করি তবেই হবে। আগামীতে বড় পরিসরে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর কথা জানান তিনি।

However, there are some individuals who disagree with this management assignment help opinion