Uncategorized

রূপগঞ্জে কারখানার বিষাক্ত বর্জ্যে মরে গেছে ১৫ লাখ টাকার মাছ

জাহাঙ্গীর আলম হানিফঃ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পাড়াগাঁও এলাকার সিম গ্রুপ নামে একটি কারখানার বিষাক্ত বজ্য্যে সরাসরি ফেলার কারনে পঁচিশ বিঘার একটি খামারের প্রায় ১৫ লাখ টাকার মাছ মরে গেছে বলে ক্ষতিগ্রস্থ্য খামারি দাবি করেছেন। সোমবার দুপুরে ওই কারখানার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মৎস অধিদপ্তর, রূপগঞ্জ থানাসহ বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্থ্য খামারী। ক্ষতিগ্রস্থ্য মৎস খামারি সাইফুল ইসলাম জানান, পাড়াগাঁও এলাকায় সিম গ্রুপ নামে একটি কারখানা রয়েছে। ওই কারখানার পাশেই তিনি পঁচিশ বিঘা জমির উপর একটি মাছের খামার রয়েছে। ওই খামারে তিনি রুই, কাতলা, চিতল, গইনা, তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করেন। প্রায় ১৫ লাখ টাকা খরচ করে দিন রাত পরিশ্রম করে মাছের খামারটি তিনি গড়ে তোলেছেন। মাছ চাষের উপর উপজেলা মৎস অধিদপ্তর থেকে একাধীকবার তিনি পুরুষ্কারও পেয়েছেন। গত ৫ দিন আগে সিম গ্রুপের কারখানাটির বিষাক্ত বর্জ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ক্যানেলে ছেড়ে দেয়া হয়। আর ছেড়ে দেয়া ওই বিষাক্ত বর্জ্যে তার পুকুরে ঢুকে পড়ে। এরপর থেকেই মাছ মরতে শুরু করে। ৫ দিনের খামারের থাকা সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে। কারখানা কর্তৃপক্ষকে এ ব্যপারে সতর্ক করা হলেও তারা কোন কর্ণপাত করেননি। কোন উপায় না পেয়ে ওই কারখানার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মৎস অধিদপ্তর, রূপগঞ্জ থানাসহ বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করেন। উপজেলা মৎস কর্মকর্তা সমীর কুমার বষাক বলেন, কারখানার বিষাক্ত বর্জ্যে খামারের মাছ মরে যাওয়ার বিষয়টি সরেজমিনে গিয়ে সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানা ইসলাম বলেন, এ ধরনের ঘটনার অভিযোগ পেয়েছি। কারখানার বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Meist werden mit ihnen neue wissensbestände benannt, der ghostwriter film oft aber sollen sie auch nur weltläufigkeit beweisen