ডেমরায় মোবাইল ফোনে কর্মচারীর মেয়েকে কু-প্রস্তাবের প্রতিবাদ করায় ২ ব্যবসায়ীকে ছরিকাঘাত ও পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা
ডেমরা নিউজঃ আদালত থেকে জামিনে এসে রাজধানীর ডেমরায় মামলা তুলে মো. রাজন বেপারী (৩৬) নামে এক পাথর ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে বিবাদী সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় তার মোটর সাইকেল রেখে দৌড়ে পালানোর সময় রাজনের মাথায় ও হাতে চাপাতি দিয়ে কোপ দেয় তারা। বৃহস্পতিবার সন্ধার পরে ডেমরার শুকুরশী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রাজনের এ্যাপাচি লাল রঙের মোটর সাইকেলটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে ওই সন্ত্রাসীরা। এদিকে স্থানীয়রা দ্রুত রাজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। এদিকে এ ঘটনায় জড়িত হামলাকারী শাহ আলম (৩৭) ও তার ছোট ভাই মো. নুর আলম ওরফে নূরাকে (৩৫) আটক করে থানায় নিয়ে যায় ডেমরা থানা পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ডেমরা থানা সূত্রে জানা যায়, পাথর ব্যবসায়ী রাজনের কর্মচারীর মেয়েকে মোবাইল ফোনে কু-প্রস্তাব দেওয়ার প্রতিবাদ করে ব্যবসায়ী রাজন ও তার পার্টনার মেহেদী ঢালী (৩২)। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১ জানুয়ারী দুপুরে জুম্মার নামাজের সময় শুকুরসী ঢালীপাড়া এলাকায় বিবাদী সন্ত্রাসীরা রাজন ও মেহেদীকে এলোপাথারী মারধর ও ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা করেছে। এ ঘটনায় ওই রাতেই মেহেদীর বাবা শহীদ ঢালী বখাটেদের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় মামলা করেন। একই ঘটনায় রাজনের ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলম আদালতের নির্দেশে গত ১৪ জানুয়ারী ডেমরা থানায় অভিযুক্ত ৭ জনকে আসামি করে একটি পিটিশন মামলা করেন। আসামিরা হলেন- ডেমরার শুকুরশী ঢালী পাড়ার মৃত আমান উল্লাহর ছেলে জুবু আলম (৩২), তার বড় ভাই মো. নুর আলম ওরফে নূরা (৩৫), শাহ আলম (৩৭) ও তার মা সাজেদা বেগম (৪৮), ওই এলাকার আবুল মিয়ার ছেলে মো. নাসির উদ্দিন রনি (৩৭), ছালাম ঢালীর ছেলে শফিকুল ঢালী (৩৩) ও নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনাগাঁও থানাধীন গঙ্গাপুর চউরাপাড়া গ্রামের মো. বাদল মিয়ার ছেলে মো. ফাহিম মিয়া (২২)। এই মামলা তুলে নিতেই আসামিরা রাজনকে নানাভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল।
এ বিষয়ে ডেমরা থানার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, হামলার শিকার রাজন বা তার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এ বিষয়ে মামলা দায়ের করা হবে বলে। ইতিমধ্যে দু’জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত বাকীদেরও দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।


You must be logged in to post a comment.